শীর্ষ বাজার মূলধনি কোম্পানিগুলোর মধ্যে ছয়টি কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে। বিপরীতে দর কমেছে ছয়টির এবং অপরিবর্তিত ছিল তিনটির শেয়ারদর।
বাজার মূলধনের ভিত্তিতে শীর্ষ ১০ কোম্পানি ও ফ্রি ফ্লোট বাজার মূলধনের ভিত্তিতে শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে পাঁচটি কোম্পানি দুই তালিকাতেই রয়েছে। এ পাঁচ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে গ্রামীণফোন, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, ব্র্যাক ব্যাংক, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ ও ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এ দুই তালিকায় থাকা শীর্ষ ১৫টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ারদর বেড়েছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, ব্র্যাক ব্যাংক, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ, ম্যারিকো বাংলাদেশ, বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ ও সিটি ব্যাংকের। অন্যদিকে শেয়ারদর কমেছে গ্রামীণফোন, রবি, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, ইসলামী ব্যাংক, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস ও ইউনাইটেড পাওয়ারের। এছাড়া দর অপরিবর্তিত থাকা তিনটি কোম্পানি হলো লাফার্জহোলসিম, পূবালী ব্যাংক ও ইস্টার্ন ব্যাংক।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গতকাল ডিএসইএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ১০ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৮৮৬ পয়েন্টে দাঁড়ায়। এদিন নির্বাচিত কোম্পানির সূচক (ডিএস-৩০) ৯ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ২০৪ পয়েন্ট ও শরিয়াহ সূচক (ডিএসইএস) ৬ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১৮৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
গতকাল সূচকের পতনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, আর-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক ও ইউসিবির শেয়ার।
ডিএসইতে গতকাল ১ হাজার ২১১ কোটি টাকার সিকিউরিটিজ হাতবদল হয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ১ হাজার ২৫৮ কোটি টাকা। এদিন এক্সচেঞ্জটিতে লেনদেন হওয়া ৩৯৩টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৬৫টির, কমেছে ১৬৯টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ৫৯টির।
খাতভিত্তিক লেনদেনচিত্রে দেখা যায়, গতকাল ডিএসইর মোট লেনদেনের ২৬ দশমিক ২ শতাংশ দখলে নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে বস্ত্র খাত। ১১ দশমিক ৮ শতাংশ দখলে নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ওষুধ ও রসায়ন খাত। প্রকৌশল খাত ১০ দশমিক ৬ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে তালিকার তৃতীয় অবস্থানে ছিল। ৮ দশমিক ৪ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে তালিকার চতুর্থ স্থানে ছিল সাধারণ বীমা খাত। আর পঞ্চম অবস্থানে থাকা মিউচুয়াল ফান্ড খাতের দখলে ছিল লেনদেনের ৭ দশমিক ৬ শতাংশ।
গতকাল পুঁজিবাজারে মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ২ দশমিক ১ শতাংশ, পাট খাতে ১ দশমিক ৪ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দশমিক ৯ শতাংশ ইতিবাচক রিটার্ন এসেছে। অন্যদিকে প্রকৌশল খাতে দশমিক ১ শতাংশ, সিমেন্ট, কাগজ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতে দশমিক ২ ও টেলিকম খাতে দশমিক ৪ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে।